Header Ads

মেয়েদের তৃপ্তি দিতে সেরা দুইটি সে*ক্স পজিশন


ডগি স্টাইলঃ এই আসনটি মেয়েদের জন্যে খুবই উপযুক্ত কারন এতে মেয়েটি তার ইচ্ছামত সেক্সের সময় মুভমেন্ট করতে পারে, পেনিস কে তার যোনীর ভিতর ইচ্ছামত নাড়াচাড়া করিয়ে নিতে পারে। যৌনক্রিয়ার বেগও নিজের ইচ্ছামত নিয়ন্ত্রন করতে পারে। এর সাথে সাথে পুরুষের সুবিধা হচ্ছে সে ইচ্ছামত খুব সহজে নারীর “জি স্পট” এ স্পর্শ করতে পারে এবং হাত দিয়ে নারীর ক্লাইটরিস/ক্লিটোরিস বা ভগ্নাংকুরে ঘর্ষণ করে নারীকে ইচ্ছামত মজা দিতে পারে। নারী নিজেও নিজের ভগ্নাংকুরে ইচ্ছামত হাত দিয়ে ঘর্ষণ করতে পারে। এতে নারীর খুব দ্রুত অর্গ্যাজম হতে পারে।

১. মেয়ে দুই হাত এবং দুই হাঁটুর উপর ভর করে উপুড় হবে। চতুষ্পদী প্রাণীর মত।
২. পুরুষ পিছনে দুই বা এক হাঁটুর উপর ভর করে দাঁড়াবে।
৩. পুরুষ এক বা দুই হাতে নারীর কোমর জড়িয়ে ধরবে।
৫. এবার পুরুষাঙ্গ যোনীর মধ্যে প্রবেশ করান।
৪. এরপর দুজনই দুজনের সাথে মিল রেখে সামনে পিছনে কোমর দোলাতে শুরু করবেন।
৫. মাঝে মাঝে স্পিড বাড়ান আবার মাঝে মাঝে কমিয়ে দিন। এতে সেনসেশন বেশি হবে।
৬. পুরুষ বা নারী এক হাতে ভগ্নাংকুর বা ক্লাইটরিসে ঘর্ষণ করুন। এতে সেনসেশন দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

গার্ল অন টপঃ এই পদ্ধতি রিভার্স কাউগার্ল পদ্ধতির মতই। কিন্তু এই পদ্ধতিতে নারীর মুখ আর পুরুষের মুখ একই দিকে থাকবে। এই পদ্ধতির সবচে বড় সুবিধা হল ভগ্নাঙ্কুর বা ক্লাইটরিস এ খুব সহজে পেনিস স্পর্শ করতে এবং ঘষা খেতে পারে। এজন্যে মেয়ের অর্গ্যাজম খুব তাড়াতাড়ি আসে।

১. প্রথমে পা ছড়িয়ে বসুন বা শুয়ে পড়ুন।
২. এরপর আপনার মেয়ে সঙ্গীকে আপনার উপরে বসান। সে হাঁটু গেড়ে পা ভাজ করে বসবে।
৩. মেয়ের মুখ আপনার মুখের দিকে থাকবে।
৪. পুরুষাঙ্গ যোনীতে প্রবেশ করান।
৫. এবার মেয়ে ঘোড়া চড়ার ভঙ্গিতে উঠানামা করবে।
৬. আপনিও নিচে থেকে উপরের দিকে পুশ (Push) দিন।
৭. মেয়ের প্রথমদিকে উঠানামা করতে অসুবিধা হতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনি তার হিপ/পশ্চাৎদেশ ধরে তাকে উঠানামা করতে সাহায্য করুন। কিছুক্ষন পরেই দেখবেন ছন্দ চলে এসেছে।

No comments

Powered by Blogger.